০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে সিট হার বেশি হওয়ায় ঈদের গরু ক্রেতা শূন্য হতে চলেছে বাজার

  • প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়: ০৭:১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
  • 8

Screenshot

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে জমে ওঠার কথা ছিল কোরবানির পশুর হাট। তবে অতিরিক্ত “সিট হার” বা হাট খাজনার কারণে এবার বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের দাবি, অতিরিক্ত খরচের চাপ শেষ পর্যন্ত গরুর দামের ওপর প্রভাব ফেলছে, যার ফলে সাধারণ ক্রেতারা বাজারমুখী হচ্ছেন না।

হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে গরু তুলতে অতিরিক্ত সিট ভাড়া ও অন্যান্য খরচ গুনতে হচ্ছে, তাই বাধ্য হয়েই বাড়তি দাম হাঁকাতে হচ্ছে।

এক ক্রেতা বলেন, “সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে দাম চলে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে অনেকেই কোরবানি দিতে হিমশিম খাবে।”

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, বাজারে সিট হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে বাজারে স্বাভাবিক কেনাবেচার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত সিট হার পুনর্বিবেচনা না করলে ঈদের মৌসুমেও ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ক্রেতা সংকট দেখা দিতে পারে। তারা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে বাজারে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই স্বস্তিতে কেনাবেচা করতে পারেন।

Tag :

Leave a Reply

ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে সিট হার বেশি হওয়ায় ঈদের গরু ক্রেতা শূন্য হতে চলেছে বাজার

ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে সিট হার বেশি হওয়ায় ঈদের গরু ক্রেতা শূন্য হতে চলেছে বাজার

আপডেট সময়: ০৭:১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে জমে ওঠার কথা ছিল কোরবানির পশুর হাট। তবে অতিরিক্ত “সিট হার” বা হাট খাজনার কারণে এবার বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের দাবি, অতিরিক্ত খরচের চাপ শেষ পর্যন্ত গরুর দামের ওপর প্রভাব ফেলছে, যার ফলে সাধারণ ক্রেতারা বাজারমুখী হচ্ছেন না।

হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে গরু তুলতে অতিরিক্ত সিট ভাড়া ও অন্যান্য খরচ গুনতে হচ্ছে, তাই বাধ্য হয়েই বাড়তি দাম হাঁকাতে হচ্ছে।

এক ক্রেতা বলেন, “সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে দাম চলে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে অনেকেই কোরবানি দিতে হিমশিম খাবে।”

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, বাজারে সিট হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে বাজারে স্বাভাবিক কেনাবেচার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত সিট হার পুনর্বিবেচনা না করলে ঈদের মৌসুমেও ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ক্রেতা সংকট দেখা দিতে পারে। তারা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে বাজারে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই স্বস্তিতে কেনাবেচা করতে পারেন।